বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ নারায়ণগঞ্জ:- অবশেষে দীঘ ২৯ বছর পর হতে যাচ্ছে ফতুল্লা ইউনিয়ণ পরিষদ নির্বাচন। তফসিল অনুযায়ী আগামী ২৩শে ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত এ নির্বাচন।
ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী ৩ জনের দৌড়ঝাঁপ চলছে। তবুও মনোনয়ন প্রত্যাশীরা সকলেই নৌকার মাঝি হতে চান।
তফসিল ঘোষণার পর থেকেই প্রান্তিক জমায়েত গুলোতে এ নিয়ে নানান জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। নতুন পুরাতন মিলে ৬ থেকে ৭ প্রার্থী নিজেদেরকে মনোনয়ন প্রত্যাশী বলে দাবি করছেন। এদের মধ্যে এগিয়ে রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফতুল্লা থানা যুবলীগের সভাপতি মীর সোহেল আলী, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সম্পাদক ফরিদ আহমেদ লিটন ও ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু মোঃ শরিফুল হক।
এ বিষয়ে মীর সোহেল আলী বলেন, আমি ফতুল্লা বাশির উন্নয়নের জন্য এবং তাদের কষ্ট লাঘব করার লক্ষ্যে ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছি। যদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌকার প্রতীক দেয় এবং জননেতা আলহাজ্ব একেএম শামীম ওসমান আমাকে সমর্থন করে তাহলেই আমি ইউপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। জননেতা একেএম শামীম ওসমান যদি আমাকে সমর্থন না করে অন্য কাউকে সমর্থন দেয় আমি তার পক্ষ হয়ে কাজ করব।
এদিকে ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ফরিদ আহমেদ লিটন বলেন, দীর্ঘ 29 বছর পর ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হচ্ছে। আমি এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। যদি আমাকে আমার নেতা একেএম শামীম ওসমান আমাকে সমর্থন করে। যদি আমাদের গুরু জননেতা একেএম শামীম ওসমান যাঁকে সমর্থন করবেন আমি তার পক্ষে কাজ করব।
অপরদিকে ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু মোঃ শরীফুল হক বলেন, ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক, তিনি বলেন জননেতা একেএম শামীম ওসমান যদি আমাকে সমর্থন করে তাহলে আমি নির্বাচন করব। আমার নেতার কথার বিরুদ্ধে আমি কখনো যাবনা। যেই নৌকার প্রতীক পাবে আমি তার পক্ষেই কাজ করব।
এ ছাড়াও মনোনয়ন না পেলেও নৌকার বিরুদ্ধে প্রার্থী না হওয়ার ঘোষণা দেন তারা।
উল্লেখ্য, গত ১০ নভেম্বর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার এ তফসিল ঘোষণা করেন। তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থী বাছাইয়ের শেষ তারিখ ২৯ নভেম্বর, আপিল দায়েরের শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর, আপিল নিষ্পত্তির শেষ তারিখ ৩-৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৬ ডিসেম্বর, প্রতীক বরাদ্দ ৭ ডিসেম্বর এবং ভোট গ্রহনের হবে ২৩ ডিসেম্বর।