রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১০:০২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ নারায়ণগঞ্জ:- মাদকে ভাসছে ফতুল্লা রেলষ্টেশন এলাকা। হাত বাড়ালেই মিলছে ইয়াবা, হেরোইন, গাঁজাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য। জেলা পুলিশ উদ্ধর্তন কর্মকর্তারা বার বার মাদকের ব্যাপারে কঠোর হুকার দিলেও কিছুতেই কর্ণপাত করছে না মাদক ব্যবসায়ীরা।
এদিকে ফতুল্লা থানা পুলিশ থানার অন্যান্য এলাকা মাদকের ব্যপারে কঠোর ভুমিকা নিলেও ফতুল্লা রেলস্টেশন এলাকায় পুলিশের তৎপর না থাকায় আর এ সুযোগে কথিত পুলিশের সোর্স মাদক ব্যবসায়ী জৈনুদ্দিন জনু ও তার স্ত্রী বিথী আরো বেপোয়ারা হয়ে ওঠছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।
সচেতন মহলের অভিযোগ থানা-পুলিশের নীরবতার কারণে ফতুল্লা রেলস্টেশন প্লাটফর্মে প্রকাশ্যেই পুলিশের সোর্স পরিচয়দানকারী জৈনুদ্দিন জনু ও তার স্ত্রী বিথী ইয়াবা-হেরোইনসহ বিভিন্ন মাদক দ্রব্য বিক্রি করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে যে সব মাদক ব্যবসায়ীরা গ্রেপ্তার হয় তার বেশীর ভাগই সেলসম্যান অথচ মাদকের মুল গড ফাদাররা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে থাকছেন ধরা ছোয়ার বাহিরে।
এছাড়া মাদক ব্যবসায়ীরা কখনো কখনো কোন না কোন রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে। আবার কেউ কেউ নিজেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স পরিচয় দিয়ে তার জমজমাট পরিসরে মাদক ব্যবসা করছে। এ মাদকের বিষয়ে এলাকার সচেতন মানুষ যদি কোন প্রতিবাদ করে তবে গডফাদাররা সে সব লোকজনকে কোন না কোন ভাবে ফাঁসিয়ে দিয়ে উল্টো তাদেরকে হয়রানি করতে থাকেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
তবে সচেতন মহল মনে করেন, শুধু ছিচঁকে মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে মাদক নির্মূল কিছুতেই সম্ভব নয়। এছাড়া থানা পুলিশের দূর্বল চার্জশীটে, মামলার দীর্ঘ সূত্রতা সাক্ষীর অভাবের কারণে আইনের ফাঁক-ফোঁকড় দিয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে আবারও মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে যাচ্ছে।
জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মাঝে মাঝে কিছু মাদক ব্যবসায়ীদের ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সাজা দিচ্ছে। এই সাজা আপিল যোগ্য বিধান থাকায় এরা সাজা শেষ হওয়ার আগেই জামিনে বের হয়ে আসছে। বের হয়ে এসে আবারও শুরু করছে মাদক ব্যবসায়ী। তাই স্বামী-স্ত্রীর মাদক ব্যবসার কবল থেকে রেল ষ্টেশন এলাকা মুক্ত করতে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছেন সচেতন মহল।