মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
ব্যক্তিগত কারণে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জাপানেতা সালাউদ্দিন খোকা মোল্লা ‎দল-মত ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে নাঙ্গল মার্কায় ভোট দেওয়া আহ্বান জানালেন খোকা মোল্লার  ফতুল্লা মডেল প্রেসক্লাবের নাম ব্যবহার করে প্রচারণা কাসেমীর নির্বাচন কমিশনের ওপর বিএনপির আস্থা রয়েছে: মির্জা ফখরুল ফতুল্লায় প্রয়াত জাতীয় পার্টির নেতাদের স্মরণে দোয়া  প্রার্থিতা ফিরে পেলেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী সালাউদ্দিন খোকা ফতুল্লায় দুটি ইটভাটাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা ৭ জানুয়ারির পর সরকার পতনের হুঁশিয়ারি ইনকিলাব মঞ্চের খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় বাইতুল মোকাররমের দোয়া বন্দরে ছিনতাইয়ের সময় পাঁচজন গ্রেফতার

ফতুল্লা রেলস্টেশনে শাহিনের জমজমাট মাদক ব্যবসা

সংবাদ নারায়ণগঞ্জ:- মাদকের জমজমাট ব্যবসা চলছে ফতুল্লার গোটা রেলষ্টেশন এলাকা। হাত বাড়ালেই মিলছে ফেন্সিডিল, ইয়াবা, হেরোইন, গাঁজাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য। জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বার বার মাদকের ব্যাপারে কঠোর হুকার দিলেও কিছুতেই কর্নপাত করছে না মাদক ব্যবসায়ীরা । ‎

‎তবে ফতুল্লা থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে মাঝে মধ্যে চুনোপুঁটি মাদক কারবারিরা ধরা পড়লেও চিহ্নিত রাঘব-বোয়াল মাদক কারবারিরা রয়েছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। মাদক বিক্রির টাকায় দেশী-বিদেশী অস্ত্রের সমাহার গড়ে তুলেছে মাদক বিক্রেতারা যার ফলে মাদক বিক্রি-সেবন ও বাণিজ্যক কেন্দ্র হয়ে উঠছে ফতুল্লা রেল স্টেশন এলাকা। ‎

‎বর্তমানে ফতুল্লা রেলস্টেশন এলাকায় মাদকের স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছে ফতুলা রেল স্টেশন এলাকার সালামের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী শাহীন। বীর দাপটে বুক ফুলিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে মাদকের রমরমা ব্যবসা যা অনেকটাই প্রকাশ্যে। যেন এই মাদক ব্যবসায়ী শাহিনের কাছে প্রশাসন নিরুপায়।

‎অন্যান্য এলাকায় মাদকের ব্যাপারে কঠোর ভুমিকা নিলেও ফতুল্লা রেলষ্টেশন ও জোড়পুল এলাকায় পুলিশের তৎপর না থাকায় মাদক ব্যবসায়ীরা আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।‎

‎এসব মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করছে কিছু ভুঁইফোড় রাজনৈতিক সংগঠনের ব্যাক্তিবর্গ নিজে ও তাদের শেল্টারে থাকা লোকজন, প্রভাবশালী মহল, অসাধু নামধারী সাংবাদিক। এই মাদক সিন্ডিকেটে আধিপত্য বিস্তার করার জন্য কিছুদিন পরপর মারামারি, খুন ও গুমের শিকার হয় বিভিন্ন শ্রেণীর লোকজন।‎

‎তবে সচেতন মহল মনে করেন, শুধু ছিচঁকে মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে মাদক নির্মূল কিছুতেই সম্ভব নয়। এছাড়া থানা পুলিশের দূর্বল চার্জ টে, মামলার দীর্ঘ সূত্রতা সাক্ষীর অভাব এর কারণে আইনের ফাঁক ফোঁকড় দিয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে আবারও মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে যাচ্ছে। জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর মাঝে মাঝে কিছু মাদক ব্যবসায়ীদের ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সাজা দিচ্ছে। এই সাজা আপিল যোগ্য বিধান সাজা শেষ হওয়ার আগেই জামিনে বের হয়ে আসছে অভিযুক্তরা।‎

‎স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে যে সব মাদক ব্যবসায়ীরা গ্রেপ্তার হয় তার বেশীর ভাগই সেলসম্যান। অথচ মাদকের মুল গড ফাদাররা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে থাকছেন ধরা ছোয়ার বাহিরে। তাদের সেলসম্যানরা গ্রেপ্তার হলে মুল ব্যবসায়ীরা তাদের আদালত থেকে জামিনে মুক্ত করে আবার একই ব্যবসায় নিয়েজিত করান।‎

‎এছাড়া মাদক সম্রাটরা কখনো কখনো কোন না কোন রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে । আবার কেউ কেউ নিজেকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স পরিচয় দিয়ে জমজমাট পরিসরে মাদক ব্যবসা করছে। এ মাদকের বিষয়ে এলাকার সচেতন মানুষ যদি কোন প্রতিবাদ করে তবে গড ফাদাররা সে সব লোকজনকে কোন না কোন ভাবে ফাঁসিয়ে দিয়ে উল্টো তাদের কে হয়রানি করতে থাকেন বলে অভিযোগ উঠেছে।‎

‎এ ব্যাপারের ফতুল্লা মডেল থানা নবাগত ওসি আব্দুল মান্নান জানান, মাদক ব্যবসায়ীদের কোন ছাড় দেওয়া হবে না, সে যেকোনো দলের হোক না কেন। মাদক ব্যবসায়ীরা দেশের শত্রু। আমরা মাদক ব্যবসায়িদের গ্রেপ্তারে সব সময় অভিযান চালাচ্ছি। প্রায় সময় মাদক ও উদ্ধার ও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন...


© 2022 Sangbadnarayanganj.com - All rights reserved
Design & Developed by POPULAR HOST BD