সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৩ অপরাহ্ন
সংবাদ নারায়ণগঞ্জ:- নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুলার পিলকুনী পুলপার ডেউয়া তলা এলাকায় টাকার বিনিময়ে সালমান নামের এক মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষন চেষ্টা ঘটনা মীমাংসা করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ নেতা রাসেল মোল্লা ও ওই এলাকার সুমন নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
(৩ অক্টোবর) সোমবার পিলকুনী পুলপার ডেউয়া তলা এলাকায় তাহফিজুল কুরআন মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই এলাকায় উত্তেজনায় বিরাজ করছে।
জানা যায়, তাফসীরুল কোরআন মাদ্রাসায় লেখাপড়া করত সাত বছরের শিশু কন্যা (নুপুর ছদ্মনাম) সোমবার সকালে মাদ্রাসায় গেলে মাদ্রাসার শিক্ষক সালমান তাকে অন্য একটি কক্ষে নিয়ে যায় এ সময় শিশু শিক্ষার্থীকে জড়িয়ে ধরে অসামাজিক কার্যকলাপের চেষ্টা করে। এতে ভয় পেয়ে শিশু শিক্ষার্থী দৌড়িয়ে বাসায় চলে যায়। পরে বিষয়টি তার বাবা-মাকে জানালে বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে এই বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ছাত্রলীগ নেতা রাসেল ও ওই এলাকার সুমন নামে এক ব্যক্তি বিচারের মাধ্যমে ধামাচাপা দেওয়া হয়।
এদিকে এলাকাবাসীর অভিযোগ বিশাল একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা মাদ্রাসার শিক্ষকের কাছ থেকে টাকা খেয়ে ছাত্রলীগ নেতা রাসেল মোল্লা ও একই এলাকার সুমন এ ঘটনাটিকে বিচারের মাধ্যমে ধামাচাপা দিয়ে দিয়েছে। এতে করে একটি শিশু বাচ্চাকে ধর্ষণের চেষ্টার অপরাধ থেকে মাদ্রাসার শিক্ষক সালমান বেঁচে গেল। আমরা যতটুকু জানি শিশু নির্যাতন কখনো বিচারের মাধ্যমে সমাধান করা যায় না। কিন্তু তারা টাকা খেয়ে বিচারের মাধ্যমে এ ঘটনাটিকে ধামাচাপা দিয়ে দিল।
মাদ্রাসার ছাত্রীর বাবা বলেন, সাত বছরের মেয়ে ওই মাদ্রাসায় লেখাপড়া করে। প্রতিদিনের মতো আজ সকালে মাদ্রাসায় পড়তে গেলে মাদ্রাসার শিক্ষক সালমান আমার মেয়ের সাথে জোরজবস্তি করার চেষ্টা করলে মেয়ে দৌড়িয়ে বাসায় চলে আসে। পরে বিষয়টি আমাদেরকে জানালে ঘটনাটি এলাকার মুরুব্বীদের জানাই।পরে ওই মাদ্রাসার শিক্ষককে ধরে নিয়ে আসা হয়। বিচারের মাধ্যমে ছাত্রলীগ নেতা রাসেল মোল্লা ও একই এলাকার সুমন মীমাংসা করে।
এ বিষয়ে ছাত্রলীগ নেতা রাসেল মোল্লার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি তেমন কিছু না। মাদ্রাসার শিক্ষক হয়তো শিশুটিকে আদর করার চেষ্টা করেছিল এতে বাচ্চাটি ভয় পেয়ে দৌড়িয়ে বাসায় চলে যায়। এলাকার লোকজন মিলে বিষয়টিকে মীমাংসা করে দিয়েছে আমিও সেখানে ছিলাম। ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়নি।
এ বিষয়ে মডেল থানার ওসি শেখ রিজাউল হক দিপু বলেন, এ বিষয়টি আমরা অবগত নই, কেউ আমাদেরকে জানায়নি। খোঁজখবর নিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।