রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ নারায়ণগঞ্জ:- র্যাব হাতে গ্রেফতার ডাকাতি মামলার আসামি পাগলা নয়ামাটি ভাবী বাজার এলাকায় জুয়া, মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণকারী স্বাধীন হোসেন জয় ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ হলে ওই সাংবাদিককে হুমকি প্রদান করেছে ডাকাত ও মাদক ব্যবসায়ী স্বাধীন হোসেন জয়।
গত (১ সেপ্টেম্বর ২১) মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ফতুল্লার নন্দলালপুর মেডিকেল রোড খালপাড় এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে মূল হোতা স্বাধীন হোসেন ওর রূপে জয়সহ ১১ জন ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১। এই সংবাদটি জাতীয় দৈনিক জনকণ্ঠসহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়।
এ বিষয়ে বুধবার বিকেলে র্যাব-১১’র মিডিয়া অফিসার লেঃ কমান্ডার মাহমুদুল হাসান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

এ সময় গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে ১টি চাপাতি, ২টি সুইচ গিয়ার চাকু, ৩টি ছোরা, ১টি দা ও ৪টি স্টিলের পাইপ উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো-মোঃ স্বাধীন হোসেন ওরফে জয় (২৫), মোঃ সুজন (২৭), মোঃ জোনায়েদ হোসেন (২৭), মোঃ পাপ্পু মিয়া (২৩), মোঃ রানা (২৮), মোঃ শাহিন চৌধুরী (২২), মোঃ নকিবুল ইসলাম ওরফে অনি (২৫), মোঃ হাসান (২৫), মোঃ আরিফুল ইসলাম (২০), মোঃ ফজলে রাব্বি (২১) ও মোঃ নাইম হোসেন নিলয় (২০)।
জামিনে বের হয়ে এসে পুনরায় মাদক ব্যবসা, জুয়া সহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হয়। এ বিষয়ে স্বাধীন হোসেন জয় তার ভাই সাদ্দামের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ হলে সাংবাদিককে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি প্রদান করে।
জানাযায়, ফতুল্লার পাগলা নয়ামাটি ভাবী বাজার এলাকায় রয়েছে সাদ্দামের রিক্সার গ্রেজ। গ্রেজের জুয়ার আসর ও মাদক ব্যবসা, পাশাপাশি চলে মাদক সেবনকারীদের আড্ডা। তবে স্থানীয়দের দাবী রাজনৈতিক নাম ব্যবহার করে এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মদদেই নাকি সাদ্দাম তার গেরেজের ভেতরে চালাচ্ছে এ অপরাধকর্ম।
সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের মতামতে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সাদ্দাম অটো রিক্সার গ্রেজের ভিতরে মাদক ব্যবসা সহ জুয়া আসর। সাদ্দাম জুয়ার আসর নিয়ন্ত্রণ করলে ও তার ছোট ভাই স্বাধীন নিয়ন্ত্রণ করছে মাদক ব্যবসা ও কিশোর গ্যাং।
এদিকে এলাকাবাসী কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টুকে জুয়া ও মাদক ব্যবসার বিষয়ে অবগত করলে। চেয়ারম্যান এসে বন্ধ করা সহ হুঁশিয়ারি দিয়ে যান। কিন্তু চেয়ারম্যানের হুঁশিয়ারিকে তোয়াক্কা না করে বীর দাপটে চালাচ্ছে জুয়া ও মাদক ব্যবসা।
ফতুল্লা থানা পুলিশ ও কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বীর দাপটে সাদ্দাম ও স্বাধীন এবং লিটন চালিয়ে যাচ্ছে মাদক ব্যবসা ও জুয়ার আসর।
অপরদিকে, জুয়ার আসরের পাশাপাশি গড়ে তুলেছে মাদকের বিশাল স্বর্গরাজ্য। যার নিয়ন্ত্রণ করছে চার ভাই কালু, সাদ্দাম ও স্বাধীন।
তারা দাবী করেন,অনতিবিলম্বে যেন এখানে থাকা সাদ্দামের রিক্সার গ্রেজের বসা জুয়ার আসর ও মাদক ব্যবসা দ্রুত বন্ধ করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।