রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
জিমখানা লেক থেকে দুই ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার ‎ফতুল্লার দাপায় প্রকাশ্যে সরকারি তেল চুরি,  ইকবাল চৌধুরীর নিয়ন্ত্রণে গড়ে উঠেছে শক্তিশালী সিন্ডিকেট ‎ ফতুল্লায় ট্রাক থেকে মালামাল চুরি: পর্দার আড়ালে ‘চোর আয়নাল’, নিয়ন্ত্রণে আনোয়ার হোসেন কোরআনে হাফেজ হয়ে বাবার স্বপ্ন পূরণ করলো রোমেল প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার কোন সুযোগ নেই, জেলা প্রশাসক ফতুল্লার সাংবাদিকদের দালাল বলেন এসপি হাসিনুজ্জামান পাগলা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত আকাশে চাঁদ দেখা গেছে, রোজা শুরু রোববার সোনারগাঁয়ে বেড়াতে গিয়ে বাস চাপায় দুই বন্ধু নিহত সাবেক আইজিপি বেনজীরকে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলে রেড অ্যালার্ট জারি

ফতুল্লায় পুলিশের লঙ্কাকান্ড

সংবাদ নারায়ণগঞ্জ:- ফতুল্লায় পুলিশের হাতে পুলিশ নাজেহালের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর ) ভোর চারটায় দি‌কে ফতুল্লার তল্লা কায়েমপুর বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে জালকুরির একটি চুরির ঘটনার তদন্ত করতে ঢাকা- নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড এলাকায় মামলার এজাহার ভুক্ত আসামিদের ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে সনাক্ত করার লক্ষ্যে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের ( সাব-ইন্সপেক্টর) কামরুল হাসান পিপিএম সঙ্গীও ফোর্স সহ স্থানীয় সোর্সদের সহযোগিতা নেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কামরুল হাসান ও মামলার বাদি সোহাগ মির্জা।

এ সময় ঢাকা নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের টহল ডিউটি চলাকালীন সোর্স রিয়াদ, বিজয়, ইমনকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখতে পান ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের এসআই সাইফুল ইসলাম। তখন সন্দেহভাজন তাদের আটক করে নাম পরিচয় জিজ্ঞেস করেন। তখন তারা পুলিশের সোর্স পরিচয় দেয়। সেই সাথে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এস আই কামরুল হাসানের সোর্স বলে দাবি করেন তারা।

ঘটনাটি তখন কামরুল হাসানকে মোবাইল ফোনে জানালে তিনি তাদেরকে তার এবং পুলিশের সোর্স বলে নিশ্চিত করেন এবং ঘটনাস্থলে এস আই কামরুল ও এ এসআই রেজাউল সঙ্গীও ফোর্স সহ উপস্থিত হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম মোস্তফার সাথে কথা বলিয়ে দেন ফতুল্লা মডেল থানার এসআই সাইফুলকে।

এক পর্যায়ে সেখানে ফতুল্লা থানার ইনস্পেক্টর (অপারেশন) কাজী মাসুদ রানা ফতুল্লা মডেল থানার অপর একটি টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। একই সময় সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে ছুটে আসেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত মোজাম্মেল হক। সেখানে উপস্থিত থাকা দুই থানার পুলিশ অফিসার মোজাম্মেল হক ও কাজী মাসুদ রানার, তাদেরকে ছেড়ে দিতে বললেও এসআই সাইফুল কারো কথার কর্ণপাত না করে নিজের ক্ষমতা বলে সোর্সদের টেনে হেঁচড়ে থানায় নিয়ে যায়। পরে দুপুর বেলায় তাদের কে ছেড়ে দেওয়া হয।

কিন্তু পরের দিন বেশ কয়েকটি পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালে, সামারি করতে গিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার দারোগা কামরুল সহ ৩ সোর্স আটক শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

এই বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এস আই কামরুল হাসান গণমাধ্যমকে জানান সংবাদটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত এ ধরনের কোন ঘটনাও ঘটেনি বা আমাকে কেউ আটক করেনি তবে হ্যাঁ সন্দেহজনকভাবে সোর্সদের আটক করেছিল এসআই সাইফুল পরে আমাকে ফোন করলে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করি এবং ওসি স্যারের সাথে কথা বলিয়ে দেই কিন্তু সে কোন কথা কর্ণপাত না করে সোর্সদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে তাদেরকে ছেড়ে দেয়।

পরের দিন পত্রিকা অনলাইনে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি দেখে আমি অবাক হই, সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে জড়িয়ে যে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে এতে আমার সম্মানহানি হয়েছে। যে এই প্রতিবেদনটি করিয়েছে তদন্ত পূর্বক আমি তার বিচার দাবি করছি।

ফতুল্লা থানার সাব ইন্সপেক্টর সাইফুল ইসলাম বলেন আমি সোর্সদের সন্দেহজনকভাবে আটক করার পর ওসি স্যারের কথা অনুযায়ী জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে এসেছিলাম পরে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এসআই কামরুল কে আটক করা হয়নি এটা একটু বাড়িয়ে লিখা হয়েছে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম মোস্তফা বলেন এ বিষয়ে আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সিদ্ধান্ত নিবেন আমি কিছু বলতে চাই না।

এই বিষয়ে জানতে ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ নূরে আজম মিয়ার মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন দিলে তিনি ফোনটা রিসিভ করেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন...


© 2022 Sangbadnarayanganj.com - All rights reserved
Design & Developed by POPULAR HOST BD