শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
জিমখানা লেক থেকে দুই ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার ‎ফতুল্লার দাপায় প্রকাশ্যে সরকারি তেল চুরি,  ইকবাল চৌধুরীর নিয়ন্ত্রণে গড়ে উঠেছে শক্তিশালী সিন্ডিকেট ‎ ফতুল্লায় ট্রাক থেকে মালামাল চুরি: পর্দার আড়ালে ‘চোর আয়নাল’, নিয়ন্ত্রণে আনোয়ার হোসেন কোরআনে হাফেজ হয়ে বাবার স্বপ্ন পূরণ করলো রোমেল প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার কোন সুযোগ নেই, জেলা প্রশাসক ফতুল্লার সাংবাদিকদের দালাল বলেন এসপি হাসিনুজ্জামান পাগলা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত আকাশে চাঁদ দেখা গেছে, রোজা শুরু রোববার সোনারগাঁয়ে বেড়াতে গিয়ে বাস চাপায় দুই বন্ধু নিহত সাবেক আইজিপি বেনজীরকে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলে রেড অ্যালার্ট জারি

তোফাজ্জল হত্যা: ঢাবির ৮ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার, প্রাধ্যক্ষকে অব্যাহতি

সংবাদ নারায়ণগঞ্জ:- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে তোফাজ্জলকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত আট শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ ছাড়া হলটির প্রাধ্যক্ষ পদ থেকে অধ্যাপক ড. শাহ্ মো. মাসুমকেও অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

হলের নতুন প্রাধ্যক্ষ হিসেবে ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াস আল-মামুনকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

বহিষ্কার হওয়া ওই ৮ শিক্ষার্থী হলেন পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের মো. মোত্তাকিন সাকিন শাহ, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের জালাল মিয়া ও আবদুস সামাদ, মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের সুমন মিয়া, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের আল হোসাইন সাজ্জাদ, গণিত বিভাগের আহসান উল্লাহ, সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের ওয়াজিবুল আলম, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ফিরোজ কবির ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের আবদুস সামাদ।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফিরোজ কবির ও আবদুস সামাদ ছাড়া বাকি ছয়জনকে হল প্রশাসনের সহযোগিতায় এরই মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার অভিযুক্ত এ আট শিক্ষার্থীর আবাসিক সিট বাতিল করে হল কর্তৃপক্ষ।

তোফাজ্জল হত্যার আগে হল প্রাধ্যক্ষের অবহেলার অভিযোগ ছিল। ওই ঘটনার সময় এবং ঘটনার পর পুরো রাত পেরিয়ে গেলেও ঘটনাস্থলে যাননি হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শাহ মো. মাসুম।

ঘটনার সময় বা পরে তাকে কয়েকবার ফোন করা হয়েছেও বলে জানান শিক্ষার্থীরা। তারপরও রিচ করা যায়নি প্রাধ্যক্ষকে।

ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদও একাধিকবার ফোন দিয়ে পাননি এ প্রাধ্যক্ষকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ এবং সহকারী প্রক্টররা আসার খবর পেয়ে পরের দিন সকাল সাতটার দিকে ঘটনাস্থলে আসেন অধ্যাপক ড. শাহ মো. মাসুম।

ঘটনার আগে বা পরে হল প্রাধ্যক্ষের হলে না আসা এবং ফোনে পাওয়া না যাওয়ার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অবহিত করবেন বলে জানিয়েছিলেন প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন। এরপর আজ পদ থেকে শাহ মাসুমকে অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়।

নিউজটি শেয়ার করুন...


© 2022 Sangbadnarayanganj.com - All rights reserved
Design & Developed by POPULAR HOST BD