মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ১২:১০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
আড়াইহাজারে ট্রাক চাপায় পৌরসভার ইলেকট্রিশিয়ান নিহত আড়াইহাজারে ঘর থেকে তুলে নিয়ে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ফতুল্লায় তিন বছরের শিশু অপহরণের ঘটনায় গ্রেফতার ২ বন্দরে মিশু ডকইয়ার্ডের শ্রমিক নিহত ফতুল্লায় সৌদি প্রবাসীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক ও টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ আ: রহমানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশে মিছিল নিয়ে ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের যোগদান মিল্টন সমাদ্দারের সব অপকর্ম তদন্ত করে বের করা হবে, হারুন শ্রমিক-মালিক সুসম্পর্ক রেখে উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর তৃতীয় শ্রেণির স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা, স্বীকারোক্তিতে রোমহর্ষক বর্ণনা ধর্ষকের অয়ন ওসমানের ছবি ব্যবহার করে কুতুবপুরে রায়হানের অপরাধ জগত

শীর্ষ সন্ত্রাসী জাকির খান বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেফতার

সংবাদ নারায়ণগঞ্জ:- নারায়ণগঞ্জের একসময়কার শীর্ষ সন্ত্রাসী, একচ্ছত্র, ক্ষমতার অধিকারী আন্ডার ওয়ার্ল্ডের গডফাদার জাকির খানকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

(২ সেপ্টেম্বর) শনিবার র‌্যাব-১১ এর নারায়ণগঞ্জের একটি বিশেষ অভিযানে ডিএমপি ঢাকার ভাটারা থানার বসুন্ধরা এলাকা থেকে বিদেশি পিস্তলসহ জাকির খানকে গ্রেফতার করা হয়।

দুপুরে নারায়ণগঞ্জের আদমজীতে র‌্যাব-১১ এর সদর দফতরে সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক লে. কর্নেল তানভীর মাহমুদ পাশা জানান, জাকির খানের নামে ৪টি হত্যাসহ অসংখ্য মামলা রয়েছে এবং বিভিন্ন সময়ে তিনি এসকল মামলায় জেল খাটেন। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর তিনি আরো দুর্ধর্ষ হয়ে ওঠেন। এ সময় তিনি নারায়ণগঞ্জ এর দেওভোগ এলাকায় বিশাল সন্ত্রাসী বাহিনী ও মাদকের সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। এক পর্যায়ে দেওভোগ এলাকার অপর শীর্ষ সন্ত্রাসী দয়াল মাসুদকে শহরের সোনার বাংলা মার্কেটের পেছনে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে শহরের ত্রাস হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন।

সবশেষ ২০০৩ সালে সাব্বির আলম হত্যাকাণ্ডে পর তিনি দেশ ছেড়ে থাইল্যান্ডে পাড়ি জমান। এ সময়ে বিভিন্ন মামলায় আদালতে জাকির খানকে বিজ্ঞ আদালত সাজা প্রদান করেন। এর পর থেকেই গ্রেফতার এড়াতে জাকির খান দেশের বাইরে অবস্থান করছিলেন।

জানা যায়, আসামী জাকির খানের বিরুদ্ধে ১৯৯৪ সালে সন্ত্রাসমূলক অপরাধ দমন বিশেষ আইনে মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় আসামি জাকির খানের ১৭ বছরের সাজা হয়। পরবর্তীতে উচ্চ আদালতে তার সাজা কমে ৮ বছর হলেও তিনি গ্রেফতার এড়াতে দেশে ও বিদেশে প্রায় ২১ বছর পলাতক ছিলেন। মূলত ২০০৩ সালে সাব্বির আলম হত্যা মামলায় আসামি হলে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। তিনি দীর্ঘ দিন থাইল্যান্ডে আত্মগোপনে ছিলেন এবং সম্প্রতি ভারত হয়ে তিনি বাংলাদেশে আসেন। এরপর থেকে তিনি পরিচয় গোপন করে ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় স্বপরিবারে বসবাস করছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন...


© 2022 Sangbadnarayanganj.com - All rights reserved
Design & Developed by POPULAR HOST BD