মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ১২:২২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
আড়াইহাজারে ট্রাক চাপায় পৌরসভার ইলেকট্রিশিয়ান নিহত আড়াইহাজারে ঘর থেকে তুলে নিয়ে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ফতুল্লায় তিন বছরের শিশু অপহরণের ঘটনায় গ্রেফতার ২ বন্দরে মিশু ডকইয়ার্ডের শ্রমিক নিহত ফতুল্লায় সৌদি প্রবাসীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক ও টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ আ: রহমানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশে মিছিল নিয়ে ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের যোগদান মিল্টন সমাদ্দারের সব অপকর্ম তদন্ত করে বের করা হবে, হারুন শ্রমিক-মালিক সুসম্পর্ক রেখে উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর তৃতীয় শ্রেণির স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা, স্বীকারোক্তিতে রোমহর্ষক বর্ণনা ধর্ষকের অয়ন ওসমানের ছবি ব্যবহার করে কুতুবপুরে রায়হানের অপরাধ জগত

সোনারগাঁ থানার সাবেক ওসি মোর্শেদ আলম ও এসআই সাধন বসাকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

সংবাদ নারায়ণগঞ্জ:- নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোর্শেদ আলম ও সেকেন্ড অফিসার (এসআই) সাধন বসাকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

(৯ ফেব্রুয়ারি) বৃহস্পতিবার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আসসামস জগলুল হোসেন এ পরোয়ানা জারি করেন।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মনিরুজ্জামান বুলবুল জানান, দুজনের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

মামলার বাদী আনিসুর রহমান আলমগীর বলেন, ২০১৮ সালের ১১ নভেম্বর যুবলীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম স্বপন, বাবুল ও আমাকে সোনারগাঁ থানার সাবেক ওসি মোর্শেদ আলম ও এসআই সাধন বসাক বাসা থেকে তুলে নিয়ে থানায় নিয়ে নির্যাতন করেন। এক পর্যায়ে তারা জাহিদুল ইসলাম স্বপনের কাছে চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে ক্রসফায়ার দিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেন তারা।

তিনি আরও বলেন, পরে জাহিদুল ইসলাম স্বপন কোর্টে এ দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেন। আসামিরা আমাকে সাক্ষী না দেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি দেন। আমার বাড়িতে গিয়েও হুমকি দেন তারা। পরে এ ঘটনায় আমি নিজে বাদী হয়ে একটি মামলা করি। সেই তদন্তের রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে শুনানি শেষে আদালত ওসি মোর্শেদ আলম ও সাধন বসাকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দত্ত বাপ্পী বলেন, আমরা ২০২০ সালে একটি মামলা করি। মামলাটি দায়েরের পর আদালত জুডিসিয়াল তদন্তের জন্য পাঠানে। সেই তদন্ত রিপোর্ট আদালতে আসার পর আমাদের কাছ থেকে শুনে মামলাটি আমলে নেন। সেই সঙ্গে আসামিদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করেন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের মামলাটি ছিল হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইনে। এ মামলায় আদালত মামলাটি গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। আমরা কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়, এ মেসেজটি যাওয়ার জন্য মামলাটি করেছিলাম।

নিউজটি শেয়ার করুন...


© 2022 Sangbadnarayanganj.com - All rights reserved
Design & Developed by POPULAR HOST BD