সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
আড়াইহাজার ভুতের আড্ডা রেষ্টুরেন্টে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, ৯ কিশোরী ৭ কিশোরকে আটক সোনারগাঁয়ে ট্রাকেট চাপায় যুবক নিহত সোনারগাঁওয়ে সাধন হত্যা, দুই বন্ধুকে মৃত্যুদণ্ড সিদ্ধিরগঞ্জে ট্রাকচাপায় বৃদ্ধার মৃত্যু সাংবাদিক ইকবালকে কটূক্তির অভিযোগে সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা ফতুল্লায় সাংবাদিকদের দমাতে গ্যাস চোর চক্রের অপচেষ্টা। রমজান মাসে বড় ধরনের ইফতার পার্টি না করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফতুল্লায় সিগারেটের ধোঁয়াকে কেন্দ্র করে কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে হুংকার দিয়ে কথা বলার সাহস কোথায় পায়, মেয়র আইভী দানিয়াল হত্যার মামলার আসামি অনিক প্রধান গ্রেফতার

সোনারগাঁ থানার সাবেক ওসি ও এসআই কারাগারে

সংবাদ নারায়ণগঞ্জ:- পুলিশি হেফাজতে নির্যাতন ও ক্রসফায়ারের হুমকির ঘটনায় নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোর্শেদ আলম ও সাবেক উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাধন বসাককে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

(১২ মার্চ) রোববার দুপুরে হাইকোর্টের জামিনের মেয়াদ শেষে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে বিচারক মো. আস-সামস জগলুল হোসেন তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট মনিরুজ্জামান বুলবুল।

তিনি বলেন, পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলে তারা হাইকোর্ট থেকে চার সপ্তাহের জামিন পান। মেয়াদ শেষে তারা আজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার বাদী আনিসুর রহমান আলমগীর বলেন, ‘২০১৮ সালের ১১ নভেম্বর যুবলীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম স্বপন, বাবুল এবং আমাকে সোনারগাঁ থানার সাবেক ওসি মোর্শেদ আলম ও এসআই সাধন বসাক বাসা থেকে তুলে নিয়ে থানায় নিয়ে মারধর করে নির্যাতন করে। এক পর্যায়ে তারা জাহিদুল ইসলাম স্বপনের কাছে চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে ক্রসফায়ার দিয়ে মেরে ফেলারও হুমকি দেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘পরবর্তীতে জাহিদুল ইসলাম আদালতে তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। এ মামলার সাক্ষী ছিলাম আমি। আসামিরা আমাকে সাক্ষ্য না দেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দেন। আমার বাড়িতে গিয়েও হুমকি দেন। পরবর্তীতে এ ঘটনায় আমি নিজে বাদী হয়ে আরও একটি মামলা করি। আদালত মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দেন। সেই তদন্তের প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন। আজ তারা আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিন চাইলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠিয়েছেন। আমি এ মামলায় সুষ্ঠু বিচার চাই।’

বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. কামরুল আহসান বলেন, আমরা ২০২০ সালে একটি মামলা করি। আদালত জুডিসিয়াল তদন্তের জন্য পাঠান। সেই তদন্তের প্রতিবেদন আদালতে আসার পর আমাদের কাছ থেকে শুনে মামলাটি আমলে নেন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের মামলাটি ছিল হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইনে। এ মামলায় আদালত মামলাটি গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন। আজ আদালত তাদেরকে কারাগারে প্রেরণ করেছে। আমরা কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়, এ বার্তা দেওয়ার জন্যই মামলাটি করা।

আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান বলেন, আদালত দুজন পুলিশ সদস্যকে কারাগারে পাঠিয়েছেন। তারা হাইকোর্ট থেকে জামিনে ছিলেন। মেয়াদ শেষে আজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চেয়েছিলেন। আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান।

নিউজটি শেয়ার করুন...


© 2022 Sangbadnarayanganj.com - All rights reserved
Design & Developed by POPULAR HOST BD