সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৮:০৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
ফতুল্লায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৩ ডাকাত গ্রেফতার কুতুবপুরে ‘অস্ত্রের ছায়া’—মহিদুলকে গ্রেপ্তার করলেই মিলবে অবৈধ অস্ত্রের ভাণ্ডার! সোনারগাঁয়ে তক্ষকসহ দুই পাচারকারীকে গ্রেপ্তার রূপগঞ্জে বিপুল পরিমাণ চোলাই মদসহ গ্রেপ্তার ১ ফতুল্লা যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামি গ্রেপ্তার সরকার যেরকম চিরস্থায়ী নয়, জনপ্রশাসনের কোনো পদ কারও জন্য চিরস্থায়ী নয়: প্রধানমন্ত্রী রূপ বদলে আবার সক্রিয় মহিদুল—মিরু ও শাহ নিজামের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন, বিএনপির ছায়ায় পুরনো দাপটের অভিযোগ কুতুবপুরে আবার সক্রিয় ছাত্র হত্যা চেষ্টা মামলার আসামী মহিদুল—প্রভাবশালী বিএনপি নেতার ছত্রছায়ার অভিযোগ, আতঙ্কে এলাকাবাসী ফলোআপ প্রতিবেদন: ‎ফতুল্লার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী টুটুল ধরাছোঁয়ার বাইরে, প্রশাসনের নীরবতা প্রশ্নবিদ্ধ মৌলিক সুবিধা দেশের সব অংশেই গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী

কুতুবপুরে ‘অস্ত্রের ছায়া’—মহিদুলকে গ্রেপ্তার করলেই মিলবে অবৈধ অস্ত্রের ভাণ্ডার!

নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন কুতুবপুর ইউনিয়নে আবারও আতঙ্কের আরেক নাম মহিদুল ইসলাম। এলাকাবাসীর অভিযোগ—তার কাছে এখনো বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র মজুদ রয়েছে, যা ব্যবহার করে নতুন করে সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছে সে।

‎স্থানীয় সূত্র জানায়, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত সন্ত্রাসী মীর হোসেন মিরুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন মহিদুল ইসলাম। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে তিনি অবৈধ অস্ত্র সংগ্রহ করে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করেন।

‎এলাকাবাসীর দাবি—মহিদুলের  কাছে দেশীয় অস্ত্র থেকে শুরু করে আগ্নেয়াস্ত্র পর্যন্ত রয়েছে, এসব অস্ত্র দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে জমি দখল, চাঁদাবাজি ও ডাকাতি চালাতেন,প্রতিপক্ষকে দমন করতে প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন করতেন

‎স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী  অতীত (আওয়ামী লীগ আমল): পাগলা রসুলপুর, শাহীবাজার, নয়ামাটি এলাকায় একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ। অবৈধ অস্ত্রের দাপটে জমি দখল ও চাঁদাবাজি এবং আওয়ামী লীগের এক প্রবীণ নেতাকে হত্যার অভিযোগ।

‎বর্তমান (রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর): খোলস পাল্টে বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতার আশ্রয়ে অবস্থান পুরনো অস্ত্র নেটওয়ার্ক সক্রিয় রাখা পুনরায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুরু আতঙ্কে সাধারণ মানুষ।

‎রসুলপুর ভাঙ্গাপুর এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন “তার কাছে থাকা অস্ত্র যেকোনো সময় বড় ধরনের সংঘর্ষ ঘটাতে পারে। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

‎এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন—“মহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও অভিযোগ রয়েছে। অবৈধ অস্ত্রের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য আমাদের অভিযান চলমান।”

‎ফতুল্লা থানা বিএনপির এক নেতা বলেন—“তার সঙ্গে দলের কোনো আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক নেই। অপরাধ করলে তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে।

‎ সচেতন মহলের মতামত মতে, মহিদুলকে গ্রেপ্তার করা গেলে শুধু একজন সন্ত্রাসী নয়, একটি অস্ত্র সিন্ডিকেটও উন্মোচিত হতে পারে। তার মাধ্যমে অবৈধ অস্ত্রের উৎস ও যোগানদাতা চক্র শনাক্ত করা সম্ভব।

‎এলাকাবাসীর জোর দাবি দ্রুত মহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করলে তার কাছে থাকা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করে ‎অস্ত্র সরবরাহকারী চক্রের সন্ধান পাওয়া যেত পারে।

‎কুতুবপুর এখন এক অদৃশ্য আতঙ্কের অস্ত্রের ভয়, সন্ত্রাসের ছায়া। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপই পারে এই পরিস্থিতি থেকে সাধারণ মানুষকে মুক্তি দিতে।

নিউজটি শেয়ার করুন...


© 2022 Sangbadnarayanganj.com - All rights reserved
Design & Developed by POPULAR HOST BD