রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ০৬:৪২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :

ফতুল্লার শীর্ষ হেরোইন ব্যবসায়ী জাফর

সংবাদ নারায়ণগঞ্জ:- ফতুল্লা থানা এলাকা জুড়ে গরে উঠেছে সোর্স জাফরের শক্তিশালী মাদকের বিশাল সিন্ডিকেট। দীর্ঘদিন ধরে বীরদর্পে চালিয়ে আসছে মরণ নেশা হেরোইন। রমরমা এই হেরোইন ব্যবসাকে ঘিরে পুরো এলাকা এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জে জেলার বিশেষ করে ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ, সদর থানা ও ডিবি পুলিশের এমন কোন আইনশৃংখলা বাহিনী নেই যে তাকে এক নামে না চিনে, তার পরিচয় সোর্স জাফর।

আইনশৃংখলা বাহিনী অপরাধীদের ধরতে গেলে সোর্সের প্রয়োজন হয়। কিন্তু পুলিশকে সহযোগিতার নামে যদি সোর্স জাফরই নানামুখী অপরাধে জড়িয়ে পড়ে সেক্ষেত্রে সাধারন জনগনের ভোগান্তির কোন শেষ থাকেনা।

পুলিশের সাথে সোর্স জাফরের প্রচুর সখ্যতা থাকার সুবাদে এখন ফতুল্লা থানা এলাকাতে বিভিন্নস্থানে গড়ে তুলেছেন বিশাল মাদকের স্পট ও সিন্ডিকেট।

সোর্স জাফর ফতুল্লা মডেল থানার পাশে বাজারে সবজী বিক্রেতা ছিলো , ফতুল্লা থানার পাশে থাকার কারনে ভিবিন্ন পুলিশের সাথে সম্পর্ক গড়ে উঠে তার।

এর পর থেকে চতুর এই সোর্স জাফার শুরু করে আসামী ও মাদক ব্যবসায়ীদের ধরিয়ে দেওয়ার কাজ। তার পর থেকে আর তাকে পিছনে তাকাতে হয়নি।

এর পর শুরু হয় মানুষের উপর নির্যাতন সাধারণ মানুষকে মাদক দিয়ে ধরিয়ে দিয়ে মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে আদায় করে মোটা অংকের অর্থ।

সোর্স জাফরের অনৈতিক কর্মকান্ডে সাধারন মানুষের মাঝে ছরিয়ে পরে আতংক। এমন কর্মকান্ড করতে গিয়ে ফতুল্লার কয়েক জায়গায় মানুষ ক্ষেপে গিয়ে তাকে মারধর করে বেধেও রাখে।পরে পুলিশ কে খবর দিলে পুলিশের সোর্স হওয়াতে বেশ কয়েকবার শেষ রক্ষা হয় তার।

এক সময় এমন কর্মকান্ডে সোর্স জাফরের উপরে ও আইনশৃংখলা বাহিনী হয়ে পরে অতিষ্ঠ। কয়েক বার থানা আজতেও আটক রাখে এই সোর্স জাফরকে। এর পর থানা পুলিশের পক্ষ হতে তাকে ফতুল্লা থানা আশে পাশে আসতে নিষেধ করা হয় চতুর এই সোর্স জাফরকে ।

এর পর থেকে থানা এলাকায় না আসতে পারার কারনে সোর্স জাফর পাগলা এলাকায় তৈরি করে তার অপরাধের ঘাটি,শুরু হয় তার তিন তাসের ভেলকিবাজি রমরমা জুয়ার আসর। অল্প কয়েক দিনে হয়ে যায় অর্ধ কোটি টাকার মালিক।

পরে তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েক দিন ভিবিন্ন পত্রিকায় ও অনলাই পোর্টালে নিউজ প্রকাশ হয়। এর পর আইনশৃংখলা বাহিনীর কয়েক দফা অভিযানে বন্ধ হয় তার জোয়ার আসর।

কিছুদিন নিরব থাকার পর শুরু হয় সোর্স জাফরের পাগলা এলাকায় মেরিএন্ডারসনের সামনে ভাংগারী ব্যবসা। তৈরি করে বিশাল চোর সেন্ডিকেট,২৪ ঘন্টাই খোলা রাখে তার ভাংগাড়ী দোকান।

রাত ১১ টার পর থেকে কেনা হয় চুরি করা চোরদের মালামাল । রাতে ট্রাক যোগে আসা রড,সিমেন্ট সহ ভিবিন্ন মালামাল।

পাগলা এলাকায় প্রায় ১০টি ছিনতাইকারী নিয়ন্ত্রনে চলতি পথে আসা গাড়ি থেকে ছিনতাই কারিরা ভিবিন্ন মালামাল নামিয়ে বিক্রি করে সোর্স জাফরের কাছে।

এই ব্যবসা করেও সে বিশাল অর্থের মালিক বনে যায়। পরে চতুর এই সোর্স জাফরের নিয়ন্ত্রনে সব চোর সেন্ডিকেট থাকার কারনে পাগলার এলাকার অন্যন্যান ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীরা চুরাই মাল না পাওয়ার কারনে ক্ষেপে যায় তার উপর। এতে সব ভাঙ্গারি ব্যবস্যায়ীরা এক হওয়ার কারনে প্রায় পাচঁ ছয় মাস আগে ছেড়ে দেয় তার ভাঙ্গারি ব্যবসা।

এরপর আবার শুরু হয় আইনশৃংখলা বাহিনী অসাধু কিছু কর্তাব্যক্তি ও বিশেষ পেশার লোকের সাথে নতুন করে সক্ষ্যতা, মরণ নেশা হেরোইন ব্যবসার জন্য যায় কোটি টাকার চালান নিয়ে। শুরু হয় তার রমরমা হেরোইনের ব্যবসা। সপ্তাহে তিন দিন প্রায় কোটি টাকার হেরোইনের চালান আসে ফতুল্লার গরুর হাটের সামনে, সেখান থেকে তার স্যালসম্যান শাকিল @ পাগলার শাকিল ও কবিরের মাধ্যমে ফতুল্লার ভিবিন্ন এলাকায় ছরিয়ে পরে মরণ নেশা হেরোইন। বিশেষ করে আলীগঞ্জের রেল লাইন, পাগলা রেল লাইন, পিলকুনি পুলপাড় , জালকুড়ি পেয়ারা বাগান এলাকায় এই মরন নেশা হেরোইনের ব্যবসা জমজমাট হয়ে উঠছে। জালকুড়ি পেয়ারা বাগান ও পিলকুনি পুলপাড় এলাকায় জাফরের হেরোইন ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করে শাকিল ও কবির।

মাঝে মধ্যে খুচরা মাদক বিক্রেতাদের আটক করে নিয়মিত মামলা সহ ভ্রাম্যমান আদালত শাস্থির ব্যবস্থা করলেও মহাজনী মাদক ব্যবসায়ীরা বরাবরই থেকে যাচ্ছে ধরা ছোঁয়ার বাহিরে।

নিউজটি শেয়ার করুন...


© 2022 Sangbadnarayanganj.com - All rights reserved
Design & Developed by POPULAR HOST BD